বিকাশ একাউন্ট লক হলে করণীয় কি

বিকাশ একাউন্ট লক হলে করণীয় কি

বিকাশ একাউন্ট লক হলে করণীয় হিসেবে কি করতে পারি? মোটামোটি প্রায় সব বিকাশ গ্রাহক উক্ত সমস্যার ভুক্তভোগী হয়ে থাকে। এর থেকে উত্তরণ করতে আমাদের জন্য উত্তম করণীয়গুলো কি, কিভাবে বিকাশ পিন লক থেকে আনলক করতে পারি? বিকাশ পিন কেন লক হয়, বিকাশ পিন যাতে লক না হয়, সে ক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কি? এরকম নানা প্রশ্ন ও উত্তর সম্মলিত আকের আর্টিকেলটি। সুতরাং আপনিও যদি উক্ত বিকাশ সমস্যার ভুক্তভোগী হোন, তাহলে দয়া করে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আশা করি সমস্ত তথ্য ও সমাধানের ‍উপায় সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন। ( বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হয়ে গেলে করণীয় এবং বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার নিয়ম সম্পর্কে জানুন )

ক্রমাগতভাবে বিকাশ মোবাইল ব্যাংকিং তাদের ‍বিকাশ সুবিধার মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহক সংখ্যা বাড়িয়ে চলছে। এক পর্যায় বেশ কিছু সমস্যারও সম্মুখীন হতে হয় গ্রাহকদের । বেশ কিছু সমস্যার মাধ্যে অন্যতম একটি বিরক্তকর সমস্যা হলো বিকাশ একাউন্টের পিন লক হয়ে যাওয়া। এমতোবস্থায় অনেক গ্রাহক তাঁর ইমার্জেন্সি সেবা তথা আর্থিক লেনদেন করতে বাঁধা-প্রাপ্ত হয়। ( বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করুণ সহজেই )

বিকাশ লক হয়ে যাওয়া পরিস্থিতি থেকে রেহাই পেতে গ্রাহকদের করণীয় হিসেবে প্রাথমিক অবস্থায় কি করতে পারে এবং কিভাবে লক হয়ে যাওয়া পিন আনলক করতে হয়, সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ ডিটেইলস আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে। চলুন তাহলে বিলম্ব না করে জানা যাক বিকাশ একাউন্ট লক হলে করণীয় গুলো সম্পর্কে।

বিকাশ একাউন্ট লক হলে করনীয়

বিকাশ একাউন্ট লক হলে করনীয়

নানার রকম কারণে আমাদের বিকাশ একাউন্ট  লক হতে পারে আর লক হলে করনীয় কি সে সম্পর্কে জানবো। আর্টিকেলের শেষ পর্যায়ে জানার চেষ্টা করবো কেন আমাদের অধিকাংশের বিকাশ পিন লক হয়ে যায় এবং কাদের ক্ষেত্রে বিকাশ পিন লক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবণা রয়েছে সে সম্পর্কে। আরো আলোচনা করা হয়েছে কিভাবে আপনি আপনার বিকাশ একাউন্টটিকে প্রোটেক্ট রাখবেন অর্থাৎ বিকাশ একাউন্ট লক হওয়া থেকে কিভাবে রক্ষা করবেন। আর আলোচনার সুবিধার্থে এখন জানবো বিকাশ একাউন্ট লক হলে করণীয়গুলো সম্পর্কে। সাধারণত কয়েকভাবে বিকাশ পিন পুনরায় আনলক করা যায়। আজকে আমরা শিখবো আমাদের বিকাশ পিন লক হয়ে গেলে কিভাবে আনলাম করতে পারি সে উপায় সম্পর্কে। বিকাশ পিন লক হয়ে গেল অনেকগুলো করণীয় রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে পুনরায় পিন আনলক করা যায়। সে করণীয়গুলো হলো-

  • বিকাশ হেল্প  সেন্টারে গিয়ে পিন আনলক করা
  • বিকাশ কাস্টমার সেন্টারে ফোন করে
  • Live chat এর মাধ্যমে
  • ফেসবুক ফেন পেইজ এর মাধ্যমে
  • ইমেইল এর মাধ্যমে বিকাশ পিন আনলক করা

মূলত এখানে উল্লেখিত এই ৫টি করণীয় আমাদের নিকট রয়েছে। যেগুলোর যেকোনো একটি অ্যাপ্লাইয়ের মাধ্যমে আমরা বিকাশ পিন লক হয়ে গেলে আবার আনলক করতে পারবো। তাহলে চলুন, আলোচনা দীর্ঘায়িত না করে বিকাশ পিন লক হয়ে গেলে করণীয় ‍গুলো সিরিয়াল বাই জানা যাক।

বিকাশ হেল্প  সেন্টারে গিয়ে পিন আনলক করা

বিকাশ হেল্প  সেন্টারে গিয়ে পিন আনলক করা

ধরে নিলাম আমাদের মধ্যে কারো বিকাশ একাউন্টের পিনটি লক হয়ে গিয়েছে। এমতোবস্থায় তাৎক্ষণিক করণীয় হিসেবে সে কি করবে? বিকাশ হেল্প সেন্টারের সহায়তা নিতে পারে সে গ্রাহক। অবশ্যই উপরোক্ত উল্লেখিত ৫টি করণীয় এর মধ্যে বিকাশ হেল্প সেন্টারে গিয়ে লক হয়ে যাওয়া পিন আনলক করা হলো সবচেয়ে উত্তম এবং সহজ পদ্ধতি। তাহলে কিভাবে আপনি বিকাশ হেল্প সেন্টারের সাহায্য নিয়ে পিন আনলক করবেন তা সম্পর্কে চলুন জানা যাক। বিকাশ একাউন্ট লক হয়ে গেলে হেল্পসেন্টারে গিয়ে করণীয় গুলো হলো-

  • প্রথমে বিকাশ একাউন্টের প্রকৃত মালিককে সাথে নিয়ে আপনার নিকটস্থ যেকোনো একটি বিকাশ হেল্প-সেন্টারে চলে যান। সে ক্ষেত্রে যদি আপনিই সে প্রকৃত মালিক হোন অর্থাৎ আপনার এনআইডি দ্ধারা উক্ত পিন লককৃত বিকাশ একাউন্টটি হয়ে থাকে, তাহলে আপনাকেই স্ব-শরীরের যেতে হবে।
  • যাওয়ার সময় অবশ্যই আপনি সাথে করে কিছু প্রয়োজনীয় ডিটেইলস নিয়ে যাবেন। এখানে প্রয়োজনীয় ডিটেইলস বলতে আপনার এনআইডি, প্রকৃত বিকাশ মালিক, বিকাশ একাউন্ট থাকা সিমটি। এগুলোই হলো মূলত আপাতত আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস।
  • এবার বিকাশ কর্তৃপক্ষ তথা কাস্টমার কেয়ারে থাকা প্রতিনিধিদের নিকট আপনার পরিচয় প্রমাণিত করতে হবে।
  • আপনি যে সত্যিকার বিকাশ একাউন্টের মালিক সে সম্পর্কে তাঁরা নিশ্চিত হতে চাইবে। যদি সম্পূর্ণ তথ্য ঠিক মতো ডেলিভার দিতে পারেন, তাহলে তাঁরা নিশ্চিত হবে যে, আপনিই বিকাশ একাউন্টের প্রকৃত মালিক।
  • প্রতিনিধিরা সিউর হলে আপনার থেকে আরো কিছু তথ্য জানতে চাইবে যেমন সর্বশেষ উক্ত বিকাশ একাউন্ট দ্ধারা কত টাকা লেনদেন হয়েছে এরকম টাইপের। যখন এসব তথ্য সঠিক সঠিক বলবেন, তখন তারা তৎক্ষণাৎ আপনার বিকাশ পিনটিকে রিসেট করে দিবে। আপনার সিমে একটি মেসেজের বা OTP পাঠিয়ে দিবে। সেই মেসেছে থাকা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড এর মাধ্যমে আপনি পুনরায় নতুন করে পিন সেট করতে পারবেন।
  • ব্যাস হয়ে গেল পিন সেট! এখন আপনার বিকাশ একাউন্টের পিন নাম্বার আনলক অবস্থায় আছে। ইচ্ছা করলে যেকোনো ধরনের লেনদেন করতে পারেন।

এভাবেই মূলত বিকাশ কাস্টমার প্রতিনিধি দ্ধারা আপনার বিকাশ একাউন্টটির লক হয়ে থাকা পিন নাম্বারটিকে পুনরায় আনলক করতে পারেন। তাই যদি কোনো সময় কোথাও এমতোবস্থায় পড়েন, তাহলে করণীয় হিসেবে আপনার সর্বপ্রথম উপরোক্ত কাজগুলো করতে হবে। তবে যদি আপনি চান যে আপনার লক হয়ে থাকা পিন নাম্বারটিকে কাস্টমার প্রতিনিধি দ্ধারা আনলক করতে চান। তাই আশা করি বিকাশ কাস্টমার প্রতিনিধি দ্ধারা কিভাবে বিকাশ পিন হলে তা আনলক করতে হয়, সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা পেয়ে গেছেন এবং একজন গ্রাহক হিসেবে করণীয় কি তা সম্পর্কেও অবগত হয়েছেন।

বিকাশ কাস্টমার সেন্টারে ফোন করে

বিকাশ কাস্টমার সেন্টারে ফোন করে

বিকাশ কাস্টমার সেন্টারে ফোন বা কল করেও আপনি আপনার লক হয়ে যাওয়া বিকাশ একাউন্টটি পুনরায় আনলক করতে পারেন। এটিও হলো অন্যতম একটি করণীয়। এই পদ্ধতিটিও বেশ নিরাপদ।  কোনো কারণে যদি আপনি এমন এলাকায় থাকেন, যখন আপনার পক্ষে কোনো ভাবেই সম্ভব নয় যে, ফিজিক্যালি কাস্টমার সেন্টারে গিয়ে প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে আপনার বিকাশ একাউন্টটের পিনটি পুনরায় আনলক করতে, তখন আপনাকে উক্ত উপায় অবলম্বণ করতে হবে। কিভাবে করবেন এই পদ্ধতি অবলম্বণ? তাহলে চলুন জানা যা যখন বিকাশ একাউন্ট লক হয়ে যাবে তখন করণীয় হিসেবে বিকাশ কাস্টমার সেন্টারে ফোন করে কিভাবে পিন আনলক করা যায়, সে সম্পর্কে জানা যাক।

  • প্রথমে বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে ফোন দিতে হবে।
  • তাদের হট লাইন নাম্বার হচ্ছে 16247. এই নাম্বারে ফোন দিন।
  • এবার আপনি আপনার সকল সমস্যা তাদের নিকট তুলে ধরুণ।
  • কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কাস্টমার প্রতিনিধিরা সবকিছু চেক করে আপনার পরিচয় বা অ্যাড্রেস জানতে চাবে।
  • আপনাকে বেশ কিছু প্রশ্ন করবে যেগুলোর উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারলে আপনার বিকাশ একাউন্টটি পুনরায় চালু করে দিবে।
  • তাদের প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর আপনি যথাসম্ভব ঠিক দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
  • সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে মূহর্তেই তাঁরা আপনার বিকাশ একাউন্টটি সচল করে দিবে।
  • ব্যাস হয়ে গেলে আপনার বিকাশ একাউন্টটি আনলক। এখন আপনি আবার আগের ন্যায় ব্যবহার করতে পারেন।

যখন বিকাশ একাউন্ট লক হবে তখন এটিও আপনার উল্লেখযোগ্য একটি করণীয়। উপরোক্ত এই উপায়ে আপনিও আপনার বিকাশ একাউন্টটি কোনো কারণে লক হয়ে গেলে পুনরায় চালু করে নিতে পারেন। সুতরাং কোনো রকম ট্যানশন ফিল না করে উপরোক্ত পদ্ধতিতে বিকাশ একাউন্টটি আবার চালু করেন।

Live chat এর মাধ্যমে

Live chat এর মাধ্যমে

Live Chat এর মাধ্যমে আপনি আপনার বিকাশ একাউন্টটিকে পুনরায় সচল তথা আনলক করতে পারেন। বিকাশ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের সেবার মান বৃদ্ধি করতে তারা এখন তাদের সার্ভিসে নিয়ে আসছে বিকাশ লাইভ চ্যাট। এটির মাধ্যমে একজন গ্রাহক যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা হতে সরাসরি বিকাশ প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলতে পারে চ্যাটের মাধ্যমে। তাই যেহেতু আপনি একটি এরকম পরিস্থিতি তথা বিকাশ একাউন্টটি লক হয়ে গিয়েছে, তাহলে আপনি বিকাম লাইভ চ্যাটটি ব্যবহার করে বিকাশ কর্তৃপক্ষের সাহায্য নিতে পারেন। এখন কিভাবে তাদের সাথে চ্যাট করবেন তার একটি নমুনা স্টেপ বাই স্টেপ দিয়ে দিচ্ছি। বিকাশ একাউন্ট লক হলে করণীয় হলো-

  • এটি আপনি সাধারণত দুইভাবে পারেন। এক হলো বিকাশ অ্যাপস এর মাধ্যমে লাইভ চ্যাট করা আর অন্যটি হলো bKash official Website এর মাধ্যমে। এখন ধরুণ আপনি বিকাশ অ্যাপস এর মাধ্যমে লাইভ চ্যাট করবেন।
  • প্রথমে আপনি বিকাশ অ্যাপসটি ডাউনলোড করুণ।
  • এবার লগ-ইন করুন বিকাশ অ্যাপস এ।
  • বিকাশ অ্যাপসে ঢুকার পর দেখুন উপরে ডান দিকে একট পাখির বা বিকাশ লগু রয়েছে, সেটিতে ক্লিক করুণ।
  • সাপোর্ট অপশানটি নির্বাচন করুন এবং সেখান থেকেই লাইভ চ্যাট অপশানটিতে ক্লিক করুন।
  • এবার আপনার পছন্দের একটি ব্রাউজার নির্বাচন করুন এবং লাইভ চ্যাট শুরু করুন।
  • উপরের ন্যায় সমস্ত তথ্য তুলে ধরুণ। অর্থাৎ আপনার বিকাশ একাউন্টটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ এবং আনলক করতে চান, এগুলো।
  • এখন আপনার নিকট হতে কিছু তথ্য চাইবে, যেগুলো সঠিকভাবে দিতে পারলে আপনার বিকাশ একাউন্টটি সাথে সাথেই আনলক করে দিবে।
  • ব্যাস হয়ে গেল আপনার বিকাশ একাউন্টটি আনলক। এখন আপনি আপনার ইচ্ছানুযায়ী আবার বিকাশ একাউন্টটি ব্যবহার করতে পারেন।

মূলত এভাবেই আপনি আপনার বিকাশ একাউন্টটি লক থেকে আনলক করতে পারেন। তাই যদি কোনো সময় আপনার বিকাশ একাউন্টটি কোনো রকম কারণ ছাড়াই বা কোনো কারণে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে উপরোক্ত উপায়গুলোর যেকোনো একটি অ্যাপ্লাই করেই আপনার বিকাশ একাউন্টটি পুনরায় আনলক করে টাকা লেনদেন করতে পারেন। হতে পারে বিকাশ লাইভ চ্যাট নামক আপডেট অপশানগুলো ব্যবহার করেই আপনি বিকাশ একাউন্টটি আনলক করতে পারেন।

ফেসবুক ফেন পেইজ এর মাধ্যমে

ফেসবুক ফেন পেইজ এর মাধ্যমে

যদি আপনার বিকাশ একাউন্টটি আনলক হয়ে যায় এবং আপনি আপনার বিকাশ একাউন্টটিকে পুনরায় আনলক করে আবার ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনি ফেসবুক ফেন পেইজ এর মাধ্যমে বিকাশ একাউন্টটিকে আনলক করতে পারেন। এভাবেই অনেক বিকাশ গ্রাহক তাদের বিকাশ একাউন্ট লক হলে অনলক করে থাকে। এটি খুবই সহজ। জাস্ট আপনাকে তাদের ফেন পেইজ এ অ্যাড হতে হবে। এখন কিভাবে আপনি কিভাবে তাদের ফেন পেইজ এর মাধ্যমে আপনার বিকাশ একাউন্টটি আনলক করবেন। চলুন তাহলে জানা যাক কিভাবে আমরা ফেসবুক ফেন পেইজ এর মাধ্যমে একাউন্ট আনলক করা যায় সে সম্পর্কে জানা যাক।

  • প্রথমে আপনি বিকাশ ফেন পেইজে অ্যাড হয়ে যান।
  • যখন অ্যাড হবেন, তখন তাদের ফেন অথবা মেসেজে অপশানে ক্লিক করে সমস্ত কিছু বলুন।
  • অথবা আপনার সমস্যাগুলো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করে তাদের ফ্যান পেজে পোস্ট করুন।।
  • এবার দেখুন অনেকে কমেন্টে আপনাকে দিক-নির্দেশনা দিচ্ছে যে, কিভাবে আপনি আপনার বিকাশ একাউন্টটি আনলক করবেন।
  • এভাবেই মূলত আপনি বিকাশ একাউন্টটি লক অবস্থা থেকে আনলক করতে পারেন।

সুতরাং যদি আপনারও এই অবস্থায় অর্থাৎ বিকাশ একাউন্টটিতে সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে আপনিও বিকাশ ফেন পেইজের মাধ্যমে আপনি সহায়তা পেতে পারেন। অনেকে বর্তমানে বিকাশ ফেন পেইজের সহায়তা নিয়ে নানা রকম সমস্যার সমাধান করেছে। ঠিক একইভাবে আপনিও আপনার সমস্যার সমাধান করতে পারেন। তাই যদি কোনো কারণে হাঠাৎ আপনার বিকাশ একাউন্টটি লক হয়ে যায় এবং আনলক করতে চান, তাহলে করণীয় হিসেবে আপনি বিকাশ ফেন পেজের মাধ্যমে পুনরায় বিকাশ একাউন্টটি আবার আনলক করতে পারবেন।

ইমেইল এর মাধ্যমে বিকাশ পিন আনলক করা

ইমেইল এর মাধ্যমে বিকাশ পিন আনলক করা

বিকাশ একাউন্ট লক হলে করণীয় গুলোর মধ্যে ইমেইল এর মাধ্যমে বিকাশ পিন আনলক করা যায়। বিকাশ কর্তৃপক্ষ তাদের সার্ভিসের মধ্যে বর্তমানে ই-মেইলের মাধ্যমে সেবা যোগ করেছে। তাই যদি কোনো বিকাশ গ্রাহক কোনো কারণে তাঁর বিকাশ একাউন্টে কোনো রকম সমস্যা বা প্রবরেম ফেস করে থাকে, তাহলে সে যেন খুব দ্রুত বিকাশ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগযোগ করতে পারে, সে কারণেই বিকাশ কর্তৃপক্ষ তাদের সেবার মধ্যে বিকাশ ইমেইল যোগ করেছে। এখন যেহেতু আপনার বিকাশ একাউন্টটি লক  হয়ে গেছে, সুতরাং এই সেবাটিও আপনি বিকাশ কর্তৃপক্ষের মেইলের মাধ্যমে নিতে পারেন। তাহলে কিভাবে আপনি আপনার বিকাশ একাউন্টটিকে আনলক করবেন ইমেইলের মাধ্যমে? এমতোবস্থায় আপনার করণীয় কি? চলুন জানা যাক আপনার করণীয়গুলো-

  • প্রথমে আপনি [email protected] Com মেইল করবেন।
  • তারপর তাদের রিপ্লাইয়ের ভিত্তিতে আপনি আপনার সমস্যার কথা উল্লেখ করবেন।
  • তারপর তারা আপনার নিকট হতে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সংগ্রহ করবে।
  • প্রধানকৃত সকল তথ্য ঠিক থাকলে কর্তৃপক্ষ আপনার একাউন্টটি সাথে সাথেই আনলক করে দিবে।
  • এবার আপনি পুনরায় বিকাশ একাউন্টটি ব্যবহার করতে পারেন।

এভাবেই মূলত আনলক হয়ে যাওয়া বিকাশ একাউন্টটিকে আপনি আনলক করতে পারেন বিকাশ ইমেইলের মাধ্যমে। কোনো সময় যদি আপনার একাউন্টটি লক হয়ে যায়, তাহলে করণীয় হিসেবে আপনি বিকাশ ইমেইল অ্যাড্রেসকে ব্যবহার করতে পারেন এবং অথবা উপরোক্ত উপায়গুলোর মধ্যে যেকোনো একটিকে অ্যাপ্লাই করে সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

বিকাশ একাউন্ট লক হওয়ার কারণ

বিকাশ একাউন্ট লক হওয়ার কারণ

বিকাশ একাউন্ট লক হওয়ার অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি কারণেও লক হতে পারে। আমরা যেহেতু সবাই এখানে বিকাশ ইউজার, তাই বিকাশ একাউন্টটি যদি কোনো কারণে লক হয়ে যায়, তাহলে যেন আমরা সাথে সাথেই আমাদের বিকাশ একাউন্টটিকে আনলক করতে পারি, সে জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় তথ্যগুলোকে সাথে সাথে রাখা অনেক প্রয়োজন। কিন্তু তার আগে আমাদের জানা প্রয়োজন কেন আমাদের বিকাশ একাউন্ট লক হয়। সাধারণত বিকাশ একাউন্ট লক হওয়ার কারণ হলো ২টি। সেগুলো হলো-

  • বার বার ভুল পাসওয়ার্ড ( ৩ বার ) ইনপুট দেওয়া কারণে বিকাশ একাউন্ট লক হওয়া।
  • ট্যাকনিকেল ক্রটির কারণে বিকাশ একাউন্ট লক হওয়া সহ ইত্যাদি।

সাধারণত উপরোক্ত এই দুই কারণেই আমাদের বিকাশ একাউন্টটি লক হতে পারে। তাই পাসওয়ার্ড যখন আমরা আমাদের বিকাশ একাউন্টে ইনপুট দিবো, তখন বেশ সতর্ক থাকতে হবে। আমরা প্রায় সময় আমাদের পাসওয়ার্ড ভুলে যাই, তখন আমরা আমাদের একাউন্ট দেখতে ভুল পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি। যে কারণে ৩ বারের বেশি পাসওয়ার্ড ইনপুট দেওয়ার কারণে আমাদের বিকাশ একাউন্ট লক করে দেওয়া হয় বিকাশ কর্তৃপক্ষ থেকে। তাই আজ থেকে বিকাশে পাসওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদেরকে একটু সচেতন হতে হবে।

বিকাশ একাউন্ট লক হলে করণীয় সম্পর্কে শেষ কথা

বিকাশ একাউন্ট লক হলে করণীয় সম্পর্কে শেষ কথা

আজকের আর্টিকেলটি যারা যারা পড়ছেন, তাদের প্রায় সবাই আমরা বিকাশ গ্রাহক। তাই আমরা যদি কোনো সময় কোনো কারণে এমতোবস্থায় পড়ি তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে উপরোক্ত নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে। অন্যথায় আমাদেরকে নানা রকম সমস্যায় পড়তে হবে। আর আরেকটি বিষয় অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে, সেটি হলো কোনো ভাবেই আমাদের উচিত নয় যে, বিকাশ একাউন্টে বার বার ( সর্বোচ্চ ৩ বার ) ভুল পাসওয়ার্ড দেওয়া। তাই যখন আমরা আমাদের বিকাশ একাউন্টটিকে ব্যবহার করবো তখন অবশ্যই আমাদেরকে ঠিক পাসওয়ার্ড প্রোভাইড করতে হবে। কোনো ভাবেই যেন ভুল পাসওয়ার্ড না দেই, সে দিকে নজর রাখতে হবে। আর টেকনিক্যাল কারণে যদি এরকম সমস্যার মুখাপেক্ষী হয়ে যান, তাহলে দয়া করে উপরোক্ত যে সকল নিয়মগুলো উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো থেকে যেকোনো একটি অ্যাপ্লাইয়ের মাধ্যমে আপনি আপনার বিকাশ একাউন্টটিকে পুনরায় আনলক করতে পারেন। মূলত বিকাশ একাউন্ট লক হলে এটিই হলো আপনার করণীয়।

বিকাশ একাউন্ট লক হলে করণীয় সম্পর্কে আরো জানতে

1 thought on “বিকাশ একাউন্ট লক হলে করণীয় কি”

  1. আমি 2014 সালে বিকাশ একাউন্ট খুলেছিলাম. তখন আমার আইডি কার্ড ছিল না। এখন পিন ভুলে গিয়েছি পিন রিসেট করার জন্য এনআইডি নম্বর দরকার। কিন্তু কার আইডি কার্ড দিয়ে একাউন্ট খোলা সেটা মনে নেই। এটা কি জানার কোন উপায় আছে বিকাশ একাউন্ট কোন আইডি কার্ড দিয়ে খোলা

    Reply

Leave a Comment